শিবানন্দ পাল
১২ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। ৫৬ নং রেজিমেন্টের লেফটেন্যান্ট কর্নেল বার্নি বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসনকে লিখেছেন- মেজর অফ ব্রিগেড ক্যাপ্টেন বি প্যারটের ৮০ নং চিঠি, যা আমি গতকাল পেয়েছি সেটা আপনাকে পাঠাচ্ছি। আপনি কী মনে করছেন মহম্মদবাজারে আরও সৈন্য পাঠানো দরকার? মহম্মদবাজারে বা তার কাছাকাছি সাঁওতালরা একত্রিত হচ্ছে কিনা তা অবিলম্বে আমাকে জানাবেন। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৪৭-৪৮)।
কর্নেল বার্নিকে এই চিঠির উত্তরে ওইদিন জেলাশাসক রিচার্ডসন লিখেছেন, আমার মনে হয় না সার্জেন্ট গিলনের নেতৃত্বে আরও সেনা পাঠানোর এই মুহূর্তে দরকার আছে। মহম্মদবাজার থেকে দ্রুত খবর সংগ্রহের চেষ্টা করছি। যা খবর পাব, আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে জানাবো। আপনি দুই কোম্পানি সেনা সর্বদাই প্রস্তুত রাখবেন। অন্যত্র আর বিশেষ খারাপ খবর নেই, সৈন্যদলের প্রয়োজন হবে বলে মনে হচ্ছে না। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫৭)।
১২ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসনকে সিউরিতে অবস্থানরত ৫৬ নং রেজিমেন্টের সার্জেন্ট কে এম স্কট লিখেছেন, আপনার গতকালের ২২৪ নং চিঠি ও তার সঙ্গের কাগজপত্র আমি আজ সার্জেন্ট গিলনের কাছ থেকে পেয়েছি। আপনার মৌখিক নির্দেশ অনুসারে গতকাল আমি একজন নেটিভ ডাক্তারকে মহম্মদবাজারে পাঠিয়েছি। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৪৯)।
১৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসন সিউড়ি থেকে লিখেছেন, নুনগোলা থানা থেকে খবর এসেছে সাঁওতাল বিদ্রোহীরা এখন রাজোর গ্রামে রয়েছে। গ্রামটি নুনগোলা থানা থেকে চার-পাঁচ মাইলের বেশি দূর হবে না। ক্যাপ্টেন গট যদি তাঁর বাহিনী নিয়ে রাত্রিতে রওনা হয়ে খুব ভোর বেলা হানা দেন তবে কাজ হতে পারে। আমার ধারণা ক্যাপ্টেন ফুক সৈন্যদল নিয়ে চলে যাওয়ার পরে এই দলটিই পরিহারপুর গ্রাম লুট করে এবং পুড়িয়ে দেয়। এই বিদ্রোহীদের দৃষ্টান্তমূলক শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫৭-৫৮)।
১৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসন আবার বাঁকুড়া-বীরভূমের ভারপ্রাপ্ত সৈন্যাধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার বার্ডকে লিখেছেন, গত কয়েকদিন ধরে উপরবাঁধ এবং সারহুটের দারোগার কাছ থেকে এবং ঐ অঞ্চলের অধিবাসীদের কাছ থেকে খারাপ খবর পাচ্ছি। জেলা সীমান্তবর্তী রাকুয়া ও তার পার্শ্ববর্তী সমস্ত গ্রামে সাঁওতালরা লুট, অগ্নিসংযোগ ও নরহত্যা করেছে। কোটাহর গ্রামেই তারা চারটে খুন করেছে। সার্জেন্ট গর্ডন দুশো সৈন্য নিয়ে দেওঘরে রয়েছেন, এর অর্ধেক কী সারহুটে পাঠানো যায় না? এতে যথেষ্ট উপকার হবে। সার্জেন্ট গর্ডন বীরভূম জেলার জন্যই নিযুক্ত আছেন, তিনি নিশ্চয়ই আপনার আজ্ঞাধীন। তাছাড়া সারহুটের জলবায়ু দেওঘরের থেকে অনেক ভালো। আশাকরি বিষয়টি বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেবেন। পুনশ্চঃ সারহুটে ভালো থাকবার ব্যবস্থা আছে এবং জিনিসপত্রের সরবরাহ ভালো। কর্মরত অফিসার ইচ্ছা করলে মুন্সেফ কাছারিতেও থাকতে পারেন। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫৮)।
সম্ভবত সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫-র প্রথম সপ্তাহের পর বীরভূমের জেলাশাসক আর আই রিচার্ডসনের সঙ্গে সৈন্যবাহিনীর অধিনায়কদের পরস্পর সমঝোতায় সুর কিছুটা কেটেছিল। চিঠির ভাষা লক্ষ্য করলে তা বেশ বোঝা যায়। রিচার্ডসন এখন থেকে সতর্ক হয়ে সেনা অফিসারদের সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বেঙ্গল সরকারের সচিব ডবলু গ্রে বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসনকে লিখেছেন, আপনার ১৪ সেপ্টেম্বর তারিখের ডায়েরির প্রসঙ্গে লেফটেন্যান্ট গভর্নর আপনাকে জানাতে বলেছেন, সাঁওতালদের আক্রমণ করার জন্য মিলিটারি নিতে গিয়ে আপনি কখনো কখনো আপনার দায়িত্বের সীমা লঙ্ঘন করে ফেলছেন, কোথাও কোথাও ব্রিগেডিয়ার বার্ডের কাজের এলাকায় ঢুকে পড়ছেন। আপনি এখন থেকে মিলিটারিকে সরাসরি কোনো নির্দেশ দেবেন না। অবশ্য আপনার পরামর্শ এবং তথ্যাদি দিয়ে সৈন্যবাহিনীকে নিশ্চয় সাহায্য করবেন। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৪৯)।
২১শে সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসন সিউড়ি থেকে সিউড়িতে অবস্থানরত সৈন্যদলের অধিনায়ক কর্নেল বার্নিকে চিঠিতে লিখেছেন, গতকাল আমি নাগোরের পুলিশ জমাদারের কাছ থেকে একটি শাল পল্লব পেয়েছি। তাতে তিনটি পত্র আছে। এক ব্যক্তি যে নিজের পরিচয় দিয়েছে সুবা বাবু নামে, সে এই পল্লবটি জমাদারকে দিয়ে অনুরোধ জানায় যে এটাকে সিউড়িতে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিতে। যাদের কাছে সে শীঘ্রই যাবে। আমি জেলখানার সাঁওতাল কয়েদীদের কাছে এই শালপাতার প্রতীকের অর্থ জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হয় তারা নিজেরা কিছু জানে না অথবা তারা আমাকে কিছু জানাতে ইচ্ছুক নয়। তবে এটুকু জানা গেছে যে তিনটি শালপাতা মানে তৃতীয় দিবসে শালপাতার প্রেরক আসবে। এই অবস্থায় যা করণীয় আপনি অবশ্যই সে রকম ব্যবস্থা নেবেন। আমার দিক থেকে এই প্রতীকবার্তার কোন উত্তর আমি দেব না এবং ঐ সুবা বাবু বা সুবা মাঝি যদি সিউড়ি চলে আসে তাকে শৃঙ্খলে আবদ্ধ করবো। অবশ্য সে একা একা শান্তভাবে আসবে নাকি দলবল নিয়ে আমাদের শক্তিপরীক্ষা নিতে আসবে আপাতত জানা নেই। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫৯)।
২১শে সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বেঙ্গল সরকারের সচিব ডব্লিউ গ্রে রানিগঞ্জে অবস্থানরত অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি জে আর ওয়ার্ডকে বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসনের ১৯ সেপ্টেম্বরের ডায়েরি প্রসঙ্গে লিখেছেন,, মিঃ রিচার্ডসন যে মাঝিদের সম্পর্কে বলেছেন, তারা যদি দলের পাণ্ডা হয়, (লেফটেন্যান্ট গভর্নর তাই বিশ্বাস করেন) তারা সরকারি ক্ষমা প্রদর্শন ঘোষণার আওতায় আসে না বা তারা শুধু আত্মসমর্পণ করেছে বলে শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না। আপনি এবিষয়ে রিচার্ডসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫০)।
২৪শে সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। কমিশনার অফ স্পেশাল ডিউটি জে আর ওয়ার্ডস রানিগঞ্জ থেকে বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসনকে সিউড়িতে লিখেছেন, সরকার সার্জেন্ট গিলনের অধীনে ১৬ জুলাই থেকে নিম্নে বর্ণিত সান্ত্রিদের পার্শ্বে উল্লিখিত বেতনে নিয়োগ মঞ্জুর করেছেন। আপনি এদের বেতনের টাকা কালেক্টরেটের খাতায় অগ্রিম হিসাবে দেখাবেন এবং খরচের খাতায় সার্জেন্ট গিলনের সান্ত্রিদের বেতন বাবদ ব্যয় এই খাতে রাখবেন। ১ জন সার্জেন্ট ১৫০ টাকা, ১ জমাদার ১৫ টাকা, ৩ দফাদার প্রত্যেককে ১০ টাকা করে ৩০ টাকা, ৬৬ জন বরকন্দাজ প্রত্যেককে ৮ টাকা করে ৫২৮ টাকা। মোট ৭২৩ টাকা। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫০)।
২৪শে সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বীরভূমের ম্যাজিস্ট্রেট রিচার্ডসন বর্ধমান বিভাগের কমিশনারকে জানিয়েছিলেন এক পক্ষ কালের মধ্যে ত্রিশটি গ্রাম সাঁওতালরা লুটপাট করেছিল সেকথা আগে এই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে। এরপর সাঁওতালরা দুর্গাপূজার প্রস্তুতি নেয়, সেজন্য দুজন ব্রাহ্মণকে ধরে নিয়ে আসে। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫৯-৬১)।
২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। ফোর্ট উইলিয়ামে বেঙ্গল সরকারের সচিবকে সাঁওতাল বিদ্রোহ দমনের জন্য নিযুক্ত স্পেশাল কমিশনার এ সি বিডওয়েল লিখেছেন, আপনার ২১ তারিখে লেখা ২৫০৯ নং চিঠি যার সঙ্গে আপনি আমাকে মিঃ ওয়ার্ডকে লিখিত কয়েকজন সাঁওতাল মাঝির নিবেদন সম্পর্কে একটি নকল পাঠিয়েছেন তা আমি পেয়েছি। এই মাঝিরা যদি দলনেতা হয়, (লেফটেন্যান্ট গভর্নরের ধারণা) তাহলে ক্ষমা ঘোষণার আওতায় আসবে না। আত্মসমর্পণ করেছে বলে তারা সাজা থেকেও রেহাই পাবে না। এই সুত্রে আমি জানাতে চাই, যে কোনো সাঁওতালের উপাধি মাঝি হলেই যে সে দলের সর্দার বা গ্রামের পাণ্ডা তা নয়। সে সামান্য সাধারণ ব্যক্তিও হতে পারে। পরিষ্কার করে বলতে গেলে, সাঁওতাল পল্লীর সর্দারকে সাধারণত মাঝিই বলা হয় কিন্তু এমন অনেকে আছে যাদের উপাধিও মাঝি। কিন্তু তারা নিতান্ত নগণ্য লোক। বাংলার গ্রামাঞ্চলে বহু জায়গায় মণ্ডল উপাধি চালু আছে, কিন্তু এই মোড়ল উপাধিধারীরা সবাই গ্রামের মোড়ল নয়। তেমনই সমস্ত মাঝিই সাঁওতাল সর্দার নয়। তাছাড়া কোনো মাঝি যদি সত্যিই গ্রামের সর্দার হয়ে থাকে অন্য দশজন সাঁওতালের চেয়ে তার প্রভাব বেশি হবে। তার পক্ষে বিদ্রোহে অংশ নেওয়া হয়তো অনুচিত ছিল কিন্তু যদি সেই সর্দার এখন আত্মসমর্পণ করতে আসে, যদি তার বিরুদ্ধে খুন বা অন্য কোনো গুরুতর অভিযোগ না থাকে তাকে কী করে সরকার ক্ষমা ঘোষণার আওতার বাইরে রাখতে পারবেন? এরপরে অন্যান্য সর্দাররা যারা আত্মসমর্পণ করতে আগ্রহী তারা যখন তাদেরই একজন আত্মসমর্পণ করেও প্রায় বিনা অভিযোগে দণ্ডিত হয়েছে এরকম দেখবে, তাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে? এরকম ঘটতে থাকলে সাধারণ সাঁওতালরা হয়তো শেষ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করতে এগিয়ে আসার সাহস পাবে না। এই অবস্থায়, যদি না অন্য কোন আদেশ আসে, আমি সমস্ত মাঝিকে, সে সর্দার মাঝি হোক অথবা সাধারণ মাঝিই হোক, যারা আত্মসমর্পণ করতে আসবে শর্তসাপেক্ষে ছেড়ে দেব যদি তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের অভিযোগ না পাওয়া যায়। আর পরবর্তীকালে তাদের কারো বিরুদ্ধে যদি খুন বা রাহাজানি জাতীয় কোন গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যায়, এদের আইনের আওতায় আনতে নিশ্চয় কোন অসুবিধা হবে না। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫২-৫৩)।
২৭ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বীরভূমের জেলাশাসক রিচার্ডসন সিউড়ি থেকে সিউড়িতে অধিষ্ঠানরত ৫৬ নং সেনাদলের অধিনায়ক কর্নেল বার্নিকে একটি পত্রে জানান, রানীবিল গ্রাম মোর নদীর উত্তরে মহম্মদবাজার থেকে দশ-বারো মাইল হবে। বড়বাথান এবং রঙ্গালয়ে সাঁওতালদের পাশ কাটিয়ে মেজর নেমবার্ড নিশ্চয়ই রানীবিল যেতে পারেননি। আমার কাছে খবর আছে রঙ্গালয় থেকে রানীবিলের পথে বহু সাঁওতাল রওনা হয়েছে উপরবাঁধে যাওয়ার জন্য। আমি রানীবিলে দুজনকে পাঠিয়েছি, তারা খবরাখবর নিয়ে আগামীকাল রানীবিল থেকে ফিরে আসবে। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৬১)।
২৮ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫। বীরভূমের জেলাশাসক আর আই রিচারডসন বীরভূমের সমাহর্তাকে (বিষয়টি অস্পষ্ট) একটি চিঠিতে লিখেছেন, সার্জেন্ট গিলেনের অধীনস্থ সমস্ত লোককে নাগোর অঞ্চল রক্ষার কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। আপনি সিউড়ি ও নুনগোলার দারোগাদের নির্দেশ দিন মোর নৈদীর ঘাট ও চরগুলো ভালো করে পুলিশ দিয়ে পাহারা দেবার জন্য। আপনার যদি আরও পুলিশ প্রয়োজন হয় আমি সে বাবদ অর্থ মঞ্জুর করবো, কমিশনার সে জন্য আমাকে ক্ষমতা অর্পণ করেছেন। (সাঁওতাল বিদ্রোহের রোজনামচা- তারাপদ রায়, দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৬২)।
(চলবে)
